Skip to Content

প্রগতি

শহীদ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা
24 নভেম্বর, 2025 by
Administrator
| No comments yet

আজকাল তরুণমাত্রেই নিজেকে প্রগতিশীল প্রতিপন্ন করতে উৎসুক। তার চেয়েও বোধহয় বেশি উৎসুক প্রাচীনকে প্রতিক্রিয়াশীল বলে তাচ্ছিল্য প্রকাশ করতে। তাদের মতে বর্তমান সমাজ দুই ভাগে বিভক্ত— প্রগতি ও প্রতিক্রিয়া, সাদা আর কালো। মাঝামাঝি বলে কিছু নেই। প্রতিক্রিয়ার ধ্বংসে প্রগতির জয়। প্রগতির জয় অনিবার্য, ইতিহাসের গতি অমোঘ, দিন আগত ঐ। ইতিহাস-দেবতার সংগ্রামী সৈনিক তারা, হাতে খড়গ, বুকে ইতিহাসের পদচিহ্ন।

বর্ণনাটা একটু নাটকীয় হলো, কারণ ব্যাপারটাও ঠিক তাই। সংগ্রামী তরুণদের সঙ্গে তর্ক বৃথা, তাদের যা বুঝার ছিল বুঝা হয়ে গেছে, এখন শুধু কাজ আর কাজ। যদি বলা হয়, ইতিহাসের গতিপ্রকৃতির নানান ধরনের ব্যাখ্যাই তো সম্ভব আর মার্ক্স তো নিজেই বলেছেন, মানুষই তো ইতিহাসের মোড় ফিরিয়ে দিতে পারে; তাই অতটা নিশ্চিতিবোধ কি যুক্তিসহ? উত্তর হবে, এসব পাতিবুর্জোয়াসুলভ দ্বিধা, এরূপ সংশয়বাদ কাজের ক্ষতি করে, বিপ্লব পিছিয়ে দেয়।

অথচ সংশয়বাদের মধ্য দিয়েই আধুনিকতার সূত্রপাত হয়। ফরাসি দার্শনিক দেকার্তের সংশয়বাদই আধুনিক মানুষকে অন্ধবিশ্বাসের জড়ত্ব থেকে মুক্তি দেয়। দেকার্তের মতে বিশ্বাস যুক্তিসহ হওয়া চাই। অন্তরের অন্তরতম বিশ্বাসকে তথ্য ও যুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাই করার সাহস ও আত্মবিশ্বাসই প্রকৃত আধুনিকতা। এ দুর্জয় আত্মবিশ্বাসের জোরেই য়ুরোপের নাবিক সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়েছে, য়ুরোপের রণতরী সাম্রাজ্য স্থাপন করতে পেরেছে, বিজ্ঞানী তথ্যের জগৎ তন্নতন্ন করে খুঁজে নতুন সত্যের প্রতিষ্ঠা করেছে, শিল্পী নিত্য নতুন সৃষ্টি দ্বারা পৃথিবীকে নতুন সাজে সাজিয়েছে।

সাধারণভাবে এই সংশয়বাদী বিজ্ঞানভিত্তিক মানব সভ্যতার ক্রমোন্নতিকে আখ্যা দেওয়া হলো প্রগতি। প্রগতি নিয়ে তখনও দার্শনিক তর্কবিতর্ক শুরু হয় নি। উনিশ শতকে অগাস্ট কোৎ সদম্ভে ঘোষণা করলেন, পুরোনো ধর্মের যুগ অতীত, এখন বিজ্ঞানকে ভিত্তি করেই এক নতুন ধরনের মানবধর্মের গোড়াপত্তন হবে। আর এই মানবধর্মের মূলমন্ত্রই হলো প্রগতি— একটানা অবিরাম ঊর্ধ্বগতি। প্রগতির গতি অমোঘ, অনিবার্য, শুধু এই নিরবচ্ছিন্ন প্রগতি তরঙ্গে গা ভাসিয়ে দিলেই হয়।

পুরোনো ধর্মের আওতায় মানুষ ভাবত, এ জীবন একটানা প্রায়শ্চিত্তের ইতিহাস আর আধ্যাত্মিক ‘প্রগতি’ হলো অভীষ্টকে ফিরে পাওয়ার সাধনায় সিদ্ধিলাভ; ভাবটি এই, কী ছিলাম কী হয়েছি, অতএব ফিরে চল। ইসলাম ধর্মে ঐহিক স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর কিছুটা জোর দেওয়া হয়েছে, কিন্তু এ স্বাচ্ছন্দ্য হিতকর, মোটাভাত মোটাকাপড়ের। মিষ্টান্নের বৈচিত্র্য ও বস্ত্রের সূক্ষ্মতা ও কারুকার্য এর গণ্ডির বাইরে। ইসলামেরও আদর্শ সর্বত্যাগী ওমর, ভোগী হারুন-অর-রশীদ নয়। ত্যাগধর্মের প্রভাবে স্বর্গচ্যুত মানুষ স্বর্গে ফিরে যাওয়ার স্বপ্নেই বিভোর থাকত, তার অতীতই ছিল তার ভবিষ্যৎ, তাই সেখানে একটানা ঐহিক প্রগতির প্রশ্ন অবান্তর।

বিজ্ঞানের যুগে মানুষ এ জগতকেই সাজাবার কাজে মন দিল, জীবনকে নতুন নতুন ভাবে ভোগ করার সাজসরঞ্জাম তৈরি হতে লাগল। তাই প্রগতিবাদীরা বললেন, আর ইডেন উদ্যানের স্বর্ণযুগের দিকে পেছন ফিরে তাকিয়ে হা হুতাশ না করলেও চলবে, স্বপ্নযুগ পেছনে নয় সামনে, বর্তমানেই তার শুরু, ফিরে চলার যুগ অতিক্রান্ত! এবার আগে চল। ‘আগে চলার’ মোহে আধুনিক মানুষের সংশয়াত্মিকা সদাজাগ্রত বুদ্ধি আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। শুরু হয় একঘেয়ে ভাবালুতা— জগৎ হবে প্রেমের নীড়, হিংসা কোন্দল দূরে যাবে, মর্তেই হবে স্বর্গভূমির প্রতিষ্ঠা। অতীত বর্বর, অন্ধকারাচ্ছন্ন, বিজ্ঞানই মানবসভ্যতার একমাত্র ভিত্তিভূমি, তাই বর্তমানেই যাত্রার শুরু আর ভবিষ্যতে স্বর্গলাভ।

১৯১৪ সালে এ ঘোর ভাঙলো, মানুষ যে কোনোকালেই স্বর্গাধিপতি হবে না তা নিঃসংশয়ে প্রমাণিত হয়ে গেল। আরো প্রমাণ হলো যে একটানা প্রগতি অনিবার্য নয়— নিরবচ্ছিন্ন প্রগতির ধারণা অপ্রকৃত, নিয়মবিরুদ্ধ।

মার্কসবাদী বিপ্লবীরা কোতীয় প্রগতিবাদকে সংশোধন করে বললেন প্রগতি একটানা নয়, প্রগতির পথ দ্বন্দ্বমূলক, পতন অভ্যুদয় বন্ধুর পন্থা দুটো বিরোধী শক্তির বিকর্ষণের মধ্য দিয়ে প্রগতি একধাপ অতিক্রম করে অন্য ধাপে যায়। তবে প্রগতি অনিবার্য সন্দেহ নাই, আর মর্তেই শ্রেণিহীন স্বর্গভূমির প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

সংগ্রাম ও মানুষের প্রচেষ্টাকে মূল্য দেওয়া হয়েছে বটে, তবে এ সংগ্রাম বিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার সংগ্রাম, আর সংগ্রামী মানুষ যূথবদ্ধ, ব্যক্তিত্ববর্জিত, ইতিহাসরূপী ভাগ্যদেবতার আজ্ঞাবাহক মাত্র। ইতিহাসকে কেন্দ্র করে উপধর্ম সৃষ্টি বিস্ময়কর আর সকলের চাইতে বিস্ময়কর আধুনিক যুগে এই নতুন উপধর্মের অপরিসীম প্রভাব। প্রথম মহাযুদ্ধের পর যে সর্বব্যাপী হতাশা দেখা দেয় তার মধ্যে একমাত্র আলোকবর্তিকাই ছিল এই সংশোধিত প্রগতিবাদ। বর্তমানের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ভবিষ্যতের নিরবচ্ছিন্ন শান্তিরই পূর্বাভাস, এ ধরনের অযৌক্তিক ধর্মীয় প্রত্যয় ছাড়া এই সর্বনাশা নিরাশাকে ঠেকানো যেত কিনা সন্দেহ। এ উপধর্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য যে স্বর্গ মর্তেই প্রতিষ্ঠিত হবে অতএব স্বর্গলাভের দুর্জয় আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি এখানেই সম্ভব। স্বর্গলোভাতুর ধর্মাশ্রয়ী সাধারণ লোকের কাছে এর চেয়ে বেশি কাম্য আর কী-ই বা হতে পারে। স্বর্গভোগাকাঙ্ক্ষী ধর্মোন্মত্ত জনসাধারণ এই নতুন স্বর্গের সন্ধান পেয়ে উল্লসিত হয়ে উঠল, যুদ্ধ ও ধ্বংসের ভয় দূর হলো, ভবিষ্যতের পরম কল্যাণের জন্য বর্তমানের ধ্বংসের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে অনুভূত হলো। এই ঘুনেধরা প্রতিক্রিয়াশীল পুরোনো সমাজের ধ্বংসের মধ্য দিয়েই আগামী দিনের সংগঠন সম্ভব, অতএব ধ্বংস কল্যাণেরই পূর্বাভাস। যুদ্ধ ও শান্তি, ধ্বংস ও কল্যাণের এই মারাত্মক ডায়লেকটিকসের প্যাঁচে পড়ে সারা পৃথিবীর, অবস্থা ক্রমশঃই শোচনীয় হয়ে উঠছে। তবুও আশার শেষ নাই, ধার্মিকের আশা অজর অমর।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর পশ্চিম য়ুরোপে এই মার্কসীয় মতবাদের প্রভাব অনেক বেশি ছড়িয়ে পড়ে। প্রগতির গতি যে অমোঘ নয়, প্রগতি কাম্য হলেও যে অত্যন্ত অনিশ্চিত, মর্তে স্বর্গ রচনার প্রচেষ্টা যে রাবণের স্বর্গের সিঁড়ি বানানোর চেষ্টারই সামিল— এ সত্যই হাতে হাতে প্রমাণ হয়ে গেল। সাম্যবাদ ফ্যাসীবাদের ডায়লেকটিকসে, প্রগতি ও প্রতিক্রিয়ার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে গোটা পৃথিবীটাই যে হাওয়া হয়ে যেতে পারে, হিরোশিমাই তার প্রথম পূর্বাভাস। পৃথিবীতে মানুষ না থাকলে আর ডায়লেকটিকস দিয়ে কি হবে একথাই বারবার মনে হতে লাগলো। ফ্যাসিবাদের ভয়ঙ্কর রূপ, মানুষের শোচনীয় নৈতিক অধঃপতন, ইতিহাসদেবতার দাক্ষিণ্য সম্বন্ধে রীতিমতো সন্দেহ জাগিয়ে তুললো, নতুন করে হৃদয় অনুসন্ধান শুরু হলো।

ধর্মপ্রাণ এশিয়াবাসীদের মার্ক্সবাদের মারফতই সর্বপ্রথম প্রগতিবাদের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। প্রথম মহাযুদ্ধের ফলাফল এশিয়াতে বিশেষ প্রভাব সঞ্চার করেনি, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ অনেকের কাছে এনেছে আশার সফলতা তাই এশিয়াতে মার্কসীয় প্রগতিবাদ এখনও এক মনোরম মোহজাল বিস্তার করে চলেছে। তৃতীয় মহাযুদ্ধের সম্ভাবনায় এশিয়াবাসী ভয়ে আঁৎকে ওঠে না— ব্যক্তি জীবনের মূল্য সম্বন্ধে য়ুরোপীয়দের মতো অতটা বাড়াবাড়ি তারা কোনোদিনই বরদাস্ত করেনি। এমনকি হিরোশিমা ও তাদের ভাবান্তর আনতে সম্ভব হয়নি। পক্ষান্তরে, হিরোশিমা জাগিয়েছে তাদের মনে পাশ্চাত্যের প্রতি অপরিসীম ঘৃণা, তাই তারা আজ প্রতিক্রিয়াকে নির্মূল করার জন্য বদ্ধপরিকর। ধর্মপ্রাণ এশিয়াবাসীই আজ বৈপ্লবিক প্রতিবাদের প্রধান নির্ভর।

আধুনিক যুগের দুটি বড় লক্ষণ হলো যান্ত্রিক উন্নতি ও চারিত্রিক অবনতি। সকল মানুষের মধ্যেই যে চরিত্রবোধ রয়েছে এ সত্য ভুলে গিয়ে বা অগ্রাহ্য করে আমরা দলগত বৈশিষ্ট্যের কথাই জোরগলায় প্রচার করে থাকি। দোষ যন্ত্রের নয়, দোষ আমাদের যথাযথ মূল্যমান নির্ধারণে অক্ষমতার। আমাদের এই পৃথক হবার জন্য অশোভন ব্যস্ততার দরুন সাধারণ মানবীয় চারিত্র্যবোধ আজ পর্যুদস্ত। ভাল হোক, মন্দ হোক দলের লোক হলেই হলো। এই দিকভ্রান্তির ফলেই আমরা এক শোচনীয় অবস্থার মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছি। বিচিত্র উপকরণের প্রগতি তাই আজ মারণাস্ত্রের রূপ নিয়ে আত্মপ্রকাশ করছে। ঐহিক প্রগতির সম্ভাবনাও লুপ্তপ্রায়। তৃতীয় মহাযুদ্ধের মুখোমুখি হয়ে আমরা বুঝতে পেরেছি যে ঐহিক প্রগতির মূলেও রয়েছে সেই চরম অবহেলিত চরিত্রনীতি। চরিত্রের অভাবে প্রগতিমূলক প্ল্যানগুলি ভাওতায় পরিণত হয়, শান্তির মুখোশ পরে যুদ্ধ ক্রমশ এগিয়ে আসে। চরিত্রচ্যুত ঐহিক স্বাচ্ছন্দ্যের পরিণাম পদে পদে আত্মপ্রবঞ্চনা ও পরিণামে সর্বনাশ।

এদিকে চরিত্র বস্তুটি এমনই যে, এটাকে সব সময় বজায় রাখা কঠিন। মুণিদেরও মতিভ্রম হয়। আর এই জন্যেই মর্তে স্বর্গ রচনা একেবারেই সম্ভব হয়ে ওঠে না, তবু যারা অসম্ভবকে সম্ভব করার কাজে মেতে ওঠেন, তাদের শেষ পর্যন্ত রাবণ রাজার মতোই এক বিয়োগান্তক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। চরিত্র সম্বন্ধে নিশ্চিতবোধ সম্ভব নয় বলেই ইতিহাস ব্যাখ্যায় ভবিষ্যদ্বাণী বিপজ্জনক; প্রগতি অনিবার্য এ প্রত্যয় অযৌক্তিক। শুধু এটুকু বলা যায় যে, যদি চরিত্রের সঙ্গে উদ্ভাবনী শক্তির মণিকাঞ্চন যোগ হয়, তবেই প্রগতি সম্ভব। তবে প্রগতি কোন মতবাদকে অবলম্বন করে ঘটবে তা আগে থেকেই বুঝা যাবে না; আর কিছুটা অগ্রগতির পর আবার যে নতুন করে অধোগতি শুরু হবে না একথাও জোর করে বলা সম্ভব নয়।

আসলে প্রগতি একান্তভাবে মানুষের সদাজাগ্রত সাধনার ফল। দৈবের উপর নির্ভর করে একটু অন্যমনস্ক হলেই পা-পিছলে যাওয়া সম্ভব আর পা পিছলে গেলে দৈব রক্ষা করতে পারে, নাও করতে পারে। কোনো বিশেষ মতবাদের প্রচারের সঙ্গে প্রগতির কোনো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই। অন্যধারে প্রচার মূলত সাধনার পরিপন্থি। বিশেষ মতবাদ চরিত্রের পরিপোষক হতে পারে কিন্তু ব্যক্তিগত দৃষ্টান্ত ছাড়া সজ্জনতার প্রসার সম্ভব নয়। কথা দ্বারা সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করা যেতে পারে, নিষ্ঠাবান মানুষ তৈরি করা যায় না।

যে কোন ক্ষমতালিপ্স দলই প্রগতিকে ট্রেডমার্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এই অপমৃত্যু থেকে প্রগতিকে উদ্ধার করার একমাত্র পথ প্রগতির মর্মার্থের বিশ্লেষণ। যে সংশয়াত্মিকা বুদ্ধির পরিণত ফল প্রগতি তার পুনরুজ্জীবনের মধ্য দিয়েই প্রগতিকে স্বরূপে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আমাদের তরুণেরা দলীয় প্রগতির উত্তেজক নিষিদ্ধ ফলের লোভ ত্যাগ করে প্রকৃত প্রগতির দুর্গম ও অনিশ্চিত পথ বেছে নেবেন কি? এ-পথে মজা কম তবে রোমান্স বরং কিছু বেশিই।

নোট: লেখাটি সরদার ফজলুল করিম ও রংগলাল সেন সম্পাদিত ‘শহীদ জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা স্মারকগ্রন্থ’ (বাংলা একাডেমি, ১৯৮৬) থেকে নেওয়া হয়েছে। লেখাটি দৈনিক সংবাদ পত্রিকা থেকে এই গ্রন্থে পুনর্মুদ্রিত হয়। প্রকাশনার সঠিক তারিখ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে সম্পাদকদের অনুমান: লেখাটি পঞ্চাশের দশকের গোড়ার দিকের। পত্রিকার যে অংশ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে তা কীটদষ্ট থাকায় মুদ্রিত দু’একটি শব্দ ভালোভাবে বুঝতে পারা যায়নি। তাই স্মারকগ্রন্থের সম্পাদকদ্বয় অনেকটা অনুমানের উপর নির্ভর করে এসব জায়গায় সম্ভাব্য অর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করেছেন।

Administrator 24 নভেম্বর, 2025
Share this post
Tags
Sign in to leave a comment